ছবি: সংগৃহিত
দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে স্থানীয় সাধারণ জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে, যে পদুয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে থানার অবস্থান, সেখানেই একের পর এক জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা ও কার্যকারিতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে ৯নং ওয়ার্ডে একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গত কয়েকদিন আগে ৫নং ওয়ার্ডে এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। এই জঘন্য অপরাধের পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার বা আইনের আওতায় আনার ব্যাপারে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর।এই ঘটনার ধারাবাহিকতায় গত রাতে একই এলাকায় একটি প্রবাসীর বাড়িতে জানালার গ্রিল কেটে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত দল কেবল মালামাল লুটপাটই করেনি, বরং গৃহকর্তা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ওপর বর্বর নির্যাতন ও মারধর চালিয়েছে। থানা সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক এমন গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মনে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। নাগরিকদের একাংশের মতে, যে ওয়ার্ডে থানা অবস্থিত, সেখানে যদি জানমাল ও সম্মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা যায়, তবে দূরবর্তী অন্যান্য ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা প্রশাসনের পক্ষে কতটা সম্ভব, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের সাংবিধানিক ও পেশাগত দায়িত্ব। দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে এমন নীরবতা বা উদাসীনতা কোনোভাবেই কাম্য নয়। স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে সকল অপরাধীকে গ্রেপ্তার, এলাকায় কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছেন।
/কেএস

